হয়তো একদিন একটা সময় আসবে। তখন সময় গুলো অনেক সহজ হয়ে যাবে। অনেকের সময়গুলো হয়তো সে সেরকমই হবে।
ঠিক যেমন টা সে আগে চেয়েছিলো।
একদিন একটা সময় আসবে
হয়তো একদিন একটা সময় আসবে যখন তেমন কোনো প্রশ্ন থাকবে না মনে। তবে মনে একটি প্রশ্ন আসে বার বার। অতীতে যা যে জন্য প্রিয় ছিল, ভবিষ্যতে কি সেই কারনটি থাকবে? যদি কিছু বিষয় থেকে সাময়িক বিরতি নেই?
তবে ইচ্ছে এবং বিশ্বাস রয়েছে। একটু অপেক্ষা করেই দেখি না হয়।
তখন হয়তো কঠিন বিষয় গুলো কিছুটা সহজ মনে হবে। নতুন সময়ে অনেক নতুন বিষয় চলে আসাটাই স্বাভাবিক। নতুন পরিস্থিতিতে ভেবে দেখতে হতে পারে নতুনভাবে। তবে বিশ্বাস রাখি একদিন একটা সময় আসবে যখন পারবো সব মেনে নিয়ে মানিয়ে চলতে।
হয়তো একদিন মনের খুশিতে আপ্লুত হয়ে যাবো। চোখের কোনে খুশির জন্য পানি চলে আসবে। মন থেকে হাসবো, সবাইকে দেখানোর উদ্দেশ্যে নয়।
আমি ভালো না থেকেও সবাইকে ভালো রাখার জন্য মুখে যে হাসি রেখে চলি সেই হাসিকে ছাড়িয়ে যাবে এই খুশির হাসি।
হয়তো একদিন সেই গল্পের শুরু হবে যেই গল্পের অপেক্ষায় থেকে আজও অবাক হয়ে জীবনের গতিপথ নিয়ে ভাবতে থাকি।
হায় হুতাশ আর করি না। তবে অনেকের মতোই স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে দিতে চাইনা। আমার জীবনে যা সুন্দর এবং সেরা হবে তা গ্রহণ করে নিতে চাই নির্দ্বিধায়।
হয়তো একদিন আমার হবে সে। আগলে রেখে বাঁচবো দুজন আমৃত্যু বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে। শূন্য মনের পুরোটা জুড়ে রাখবো তাকে আগলে। ঝগড়া, খুনসুটি, অভিমান এর পরও শেষে ভালোবেসে যাবো দুজনে দুজনকে। সব কিছু থাকবে শুধু আমাদের মাঝেই। যা ভালো রাখবে আমাদের।
হয়তো লিখাগুলো একদিন অনেকেই পড়বে। লিখাগুলো তো আমার মন থেকে লিখা। মন তো বড়ই অদ্ভুত জিনিস। একজনের মন তো সকলের বোঝার ক্ষমতার মধ্যে থাকে না। কথাগুলো ভালোবেসে হয়তো কেউ কেউ গ্রহণ করবে। অবাক হয়ে বলবে, “আরে! এ তো আমারও মনের কথা”। ভালোলাগবে তখন অনেক।
কেউ কেউ লিখাগুলো পড়ে অনেক হাসবে। কারণ ভাষাগত দিক দিয়ে এগুলো অনেক হাস্যকর মনে হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু কী করবো? মনের আবদারে লিখে যাই। কথাগুলো যতই হাস্যকর হোক না কেন।