জীবনে খারাপ সময় আসা দরকার। ভালো দিন এর অনুভূতি পেতে হলে অনেকগুলো খারাপ দিনের সাথে লড়াই করে বাঁধা অতিক্রম করে জয় করতে হয়।
সঠিকভাবে চেষ্টা করার ইচ্ছের ফলাফল বাস্তবে রুপ নিতে পারে। এর যেজন্য জীবনে মানুষ চিনতে পারা জরুরী। কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে সে নিজেকে গড়ে তুলবে আরও যোগ্যতম হিসেবে।
সূচিপত্র
জীবনে খারাপ সময় আসা দরকার
জীবনে খারাপ সময় আসা দরকার। না হলে সঠিক পথের পথিক হয়ে ওঠা যায় না। কাল্পনিক একজনকে উদাহরণ হিসেবে কল্পনা করা যেতে পারে।
একজন জীবনের প্রতিটি পদে ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছে। কতবার কতভাবে যে সে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছে তা হিসেবের বাইরে।
প্রথম প্রথম তার কাছে সবকিছু কত সহজ ও সুন্দর মনে হয়েছিল। সে যেন নিজের জীবনের প্রতিটি অর্জনকে পেয়ে যাবে নিজের মতো করে সেটা ভেবে এক বিন্দু চিন্তা করে নি যে, না পেলে সে কিভাবে সবকিছু মানিয়ে নিতে পারবে।
পরে যা হবার তাই হলো। সে পারলো না সেই আগের নিজেকে ফিরে পেতে। তার স্বপ্নের সমাপ্তি যেন তার নতুন করে কিছু চিন্তা করা কে দমিয়ে দিয়েছিল।
কতদিন যে সে অবসাদগ্রস্থ ছিল সে ভাবতে পারে নি। তবে সে এমন কিছু করে নি যাতে আর কেউ কষ্ট পায়।

এ যেন এক নতুন শুরু
ইচ্ছে আছে সে নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলবে। সে ঘুমাতে পারেনি। ব্যর্থতার গ্লানি তাকে বার বার কাঁদিয়েছে।
এ যেন এক নতুন শুরু নতুন করে চেষ্টা করার উদ্দেশ্যে। সে যেমন কেউ ঠিক তেমন কারোর জন্য অনেক কিছুই যেন অপূর্ণ আছে।
সে নতুন করে নিজের জন্য কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নিজেকে। নিজের সাথে নিজেই থেকে নিজের মত করে সবকিছু ঠিক রাখার ইচ্ছে।
তার জীবনে দেখা হয়ে গিয়েছে শত পর্বের মাঝে বাস্তবতার কত কত প্রতিচ্ছবি। তার জীবনের গল্পের বর্তমান এর সারাংশ কিছুটা যেন জীবনের জন্য বার বার হেরে যাবার এবং কিছুটা বদলে যাবার।
কেন এমন হলো? সে জানে না। এটি হয়তো কিছুটা নিজেকে নিজের মাঝে ফিরে পাবার পর আবার স্বপ্ন দেখার গল্প।
বর্তমানের সে আর আগের তাকে ফিরে পেতে চায় না। সে নিজের পাশেই পেয়েছে তার মনের শুন্যতার কারণকে। একদিন হয়তো সে সত্যিকারের হাসি দিবে। মন থেকে সেই হাসির খুশি যেন হাজারো দিনের স্বপ্ন।
অতীতের অনেক কিছু পাওয়ার ইচ্ছেগুলো কেন যেন হারিয়ে ও বদলে যাচ্ছে।
তার লিখাগুলোর প্রকৃত অর্থ কেউ হয়তো বুঝবে একদিন। অনর্থক কথার ছড়াছড়ি হলেও শুধু পাবে এজনের ভালোবাসা। একই কথা বার বার ফিরে আসা যেন তার এক বড় দোষ। এমন কতই না রচনা লিখা আছে যাতে রয়েছে অদ্ভুত বাক্য এর সংগ্রহ।
সে হেরে গেলো সবার ইচ্ছের কাছে, কষ্ট দিলো একজনকে আর নিজেকে।
তার অতীতের নিকট অনেক প্রশ্ন। কেন এমন হলো? কেন সে স্বপ্ন দেখেছিলো? কেন স্বপ্ন দেখিয়েছিল? আরও হাজারো প্রশ্ন চলে আসে বার বার। সে ভালো কেউ নয়। সে একদমই ভালো নয়।
সে বদ্ধপরিকর
সে বদলে যেতে চায়। নিজেকে গুটিয়ে নিতে সে বদ্ধপরিকর। হটাৎ এমন পরিবর্তন বা বদলে যাওয়া সবাই মেনে নিতে পারবে না হয়তো।
তারা কেন বুঝতে পারে না যে, এই পরিবর্তনটা ভালোর জন্যে? সে যেন ভালো কিছু করতে পারে, সবার খোটা দিয়ে বলা কথাগুলো থেকে দূরে থাকতে পারে, সেই জন্যেই তো সে নিজেকে আড়াল করতে চাইছে। যেজন্য সে কিছুটা হলেও বদলেছে নিজেকে।
আমাদের অনেকেরই একটি বড় সমস্যা হলো আমরা কারো হটাৎ ভালো কোনো পরিবর্তন কে মেনে নিতে পারি না। হ্যাঁ, কারো হটাৎ পরিবর্তন আপনার জন্য কখনও কষ্টের কারনও হতে পারে। তবে তার এই ইচ্ছার বিরোধীতা আপনি কখনওই করতে পারেন না।
বিরোধিতা করা যেত যদি মানুষটা সত্যিই আপনার আপন হয়ে থাকতো তাহলে সে কখনোই তাকে ছোট করে কথা বলতো না।
পরিশেষে বলা যায় যে, জীবনে খারাপ সময় আসা দরকার। মুখের কথার শিক্ষা আর বাস্তব জীবনের প্রতিফলন এর মাধ্যমে অর্জিত শিক্ষার মাঝে বিশাল ব্যবধান রয়েছে।
জীবনের খারাপ সময় কেটে গেলে একজন বুঝতে পারে তার অর্জনগুলোর মূল্য কতটুকু।